পথচলার গল্প
১৯৭৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত — রাজনীতি, জনসেবা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে আমার যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো।
রাজনীতিতে হাতেখড়ি
১৯৭৯ সালের নির্বাচনে পিতা মির্জা রুহুল আমিনের নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রথম পদার্পণ।
ঠাকুরগাঁওয়ে স্থায়ী বসবাস
শিক্ষাজীবন শেষে আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু; ১৯৯১ সালে সেই চাকরি স্বেচ্ছায় ছেড়ে স্থায়ীভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে দলের তৃণমূল সংগঠনে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত করেন।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী
২০১৫ সালের পৌরসভা নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী হন; তখন তিনি জেলা বিএনপির সহসভাপতি। ৩ ডিসেম্বর তিনি মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত ও দায়িত্ব গ্রহণ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত তিনটি কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের পর ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি পান ১৯,১৮৪ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান ১২,৭৪৪ ভোট। ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০২১ সালে মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।
জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মনোনীত
২০১৬ সালের ৬ আগস্ট বিএনপি তার ৫০২ সদস্যের জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করে; এই কমিটিতে তিনি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
২০১৭ সালের ২৪ মে জেলা সম্মেলনে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং দীর্ঘ আট বছর এই দায়িত্ব পালন করেন।
স্বর্ণকার পট্টি-মির্জা পাম্প সড়ক উদ্বোধন
মেয়র থাকাকালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার স্বর্ণকার পট্টি থেকে মির্জা পাম্প পর্যন্ত প্রায় ১.৭৫ কিলোমিটার সড়কের পুনর্নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঠাকুরগাঁও জেলাজুড়ে অরাজকতা রোধ, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরবাড়ি ও উপাসনালয় রক্ষা, রাতে পাহারা এবং লুট হওয়া সম্পত্তি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ (কার্যালয় থেকে সরবরাহকৃত প্রোফাইল অনুযায়ী)।
জলবায়ু-সহনশীল কর্মপরিকল্পনা কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি
ঠাকুরগাঁও পৌরসভা হলে অনুষ্ঠিত জলবায়ু-সহনশীল কর্মপরিকল্পনা-বিষয়ক কর্মশালায় সাবেক মেয়র হিসেবে তিনি সম্মানিত অতিথি ছিলেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত
২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সম্মেলনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। একই সম্মেলনে পয়গাম আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত
ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে রংপুর বিভাগের একমাত্র পরিচালক পদে (ক্যাটাগরি-১) একমাত্র প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হন। ৯ জুন বোর্ডের প্রথম সভায় তিনি ডিসিপ্লিনারি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হন।
মনোনয়নপত্র জমা
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
রাজনীতিতে হাতেখড়ি
১৯৭৯ সালের নির্বাচনে পিতা মির্জা রুহুল আমিনের নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রথম পদার্পণ।
ঠাকুরগাঁওয়ে স্থায়ী বসবাস
শিক্ষাজীবন শেষে আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মজীবন শুরু; ১৯৯১ সালে সেই চাকরি স্বেচ্ছায় ছেড়ে স্থায়ীভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে ফিরে দলের তৃণমূল সংগঠনে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে নিয়োজিত করেন।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী
২০১৫ সালের পৌরসভা নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী হন; তখন তিনি জেলা বিএনপির সহসভাপতি। ৩ ডিসেম্বর তিনি মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মেয়র নির্বাচিত ও দায়িত্ব গ্রহণ
২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত পৌরসভা নির্বাচনে তিনি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হন। অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত তিনটি কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের পর ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফলে তিনি পান ১৯,১৮৪ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান ১২,৭৪৪ ভোট। ২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০২১ সালে মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।
৬ আগস্ট ২০১৬
জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মনোনীত
২০১৬ সালের ৬ আগস্ট বিএনপি তার ৫০২ সদস্যের জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করে; এই কমিটিতে তিনি সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
২০১৭ সালের ২৪ মে জেলা সম্মেলনে তিনি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং দীর্ঘ আট বছর এই দায়িত্ব পালন করেন।
স্বর্ণকার পট্টি-মির্জা পাম্প সড়ক উদ্বোধন
মেয়র থাকাকালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার স্বর্ণকার পট্টি থেকে মির্জা পাম্প পর্যন্ত প্রায় ১.৭৫ কিলোমিটার সড়কের পুনর্নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঠাকুরগাঁও জেলাজুড়ে অরাজকতা রোধ, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ঘরবাড়ি ও উপাসনালয় রক্ষা, রাতে পাহারা এবং লুট হওয়া সম্পত্তি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফেরত দেওয়ার উদ্যোগ (কার্যালয় থেকে সরবরাহকৃত প্রোফাইল অনুযায়ী)।
জলবায়ু-সহনশীল কর্মপরিকল্পনা কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি
ঠাকুরগাঁও পৌরসভা হলে অনুষ্ঠিত জলবায়ু-সহনশীল কর্মপরিকল্পনা-বিষয়ক কর্মশালায় সাবেক মেয়র হিসেবে তিনি সম্মানিত অতিথি ছিলেন।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত
২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সম্মেলনে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন। একই সম্মেলনে পয়গাম আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
২৫ মে ২০২৬
বিসিবি পরিচালক নির্বাচিত
ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে রংপুর বিভাগের একমাত্র পরিচালক পদে (ক্যাটাগরি-১) একমাত্র প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হন। ৯ জুন বোর্ডের প্রথম সভায় তিনি ডিসিপ্লিনারি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হন।
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মনোনয়নপত্র জমা
ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন।
তথ্যসূত্র: সংবাদমাধ্যম প্রতিবেদন ও অফিস-সরবরাহিত তথ্য