আমার পরিচয়
একটি জীবনের গল্প — যেখানে পরিবার, শিক্ষা, রাজনীতি ও মানুষের পাশে থাকার তাগিদ একসাথে জড়িয়ে আছে।
রাজনীতির সাথে আমার সম্পর্কের শুরু ১৯৭৯ সালে। সে বছরের নির্বাচনে বাবা মির্জা রুহুল আমিনের নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি ও সক্রিয় অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রথম রাজনীতির মাঠে পা রাখি। সেই অভিজ্ঞতা আমার ভেতরে গেঁথে দিয়েছিল একটি বোধ — মানুষের কাছে যাওয়া, তাদের কথা শোনা, আর তাদের জন্য কাজ করার তাগিদ।
আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সঙ্গে যুক্ত একজন রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধি; আমার নিজ জেলা ও কর্মক্ষেত্র ঠাকুরগাঁও। বর্তমানে আমি ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি, দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং ২০২৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক। এর আগে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র এবং ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। পারিবারিক পরিচয়ের বাইরে আমার রাজনৈতিক পরিচয় গড়ে উঠেছে ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় রাজনীতি, পৌরসভা পরিচালনা ও জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডের নিজস্ব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে।
শিক্ষাজীবন ও পরিবার
আমার শিক্ষাজীবন শুরু হয় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে, যেখান থেকে আমি এসএসসি পাস করি। এরপর ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করি। এই শিক্ষাজীবন আমাকে শুধু জ্ঞান নয়, একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গিও দিয়েছে — ঠাকুরগাঁওয়ের বাইরের পৃথিবী দেখার পরও নিজের শিকড়ে ফিরে আসার তাগিদ অনুভব করেছি সবসময়।
আমার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনে ভূমিকা রেখে এসেছে। বাবা মির্জা রুহুল আমিনের তিন ছেলের মধ্যে আমি সবার ছোট — এই পরিবারে বড় হওয়া আমাকে দায়িত্ববোধের একটি ভিন্ন মাত্রা শিখিয়েছে।
পারিবারিক ঐতিহ্য
- বাবা — মরহুম মির্জা রুহুল আমিন। প্রথম জীবনে শিক্ষক, পরে ব্যবসায়ী; ১৯৮৬–৮৭ সালে ভূমি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এবং একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। কার্যালয় থেকে সরবরাহকৃত প্রোফাইলে তাঁকে ঠাকুরগাঁওয়ের আধুনিকায়নের রূপকার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
- চাচা — মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজ। প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক আইনমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার।
- বড় ভাই — মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি; এর আগে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মহাসচিব ছিলেন।
"যে মানুষগুলোর মাঝে বড় হয়েছি, তাদের কথাই আমাকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে এনেছে বারবার।"
চাকরি ছেড়ে মাটির কাছে ফেরা
পড়াশোনা শেষে আমি আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংকে কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটি তাগিদ কাজ করছিল — মানুষের সরাসরি পাশে থেকে কাজ করার। ১৯৯১ সালে আমি স্বেচ্ছায় সেই চাকরি ছেড়ে দিয়ে স্থায়ীভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে বসবাস শুরু করি এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় সংগঠনে মনোনিবেশ করি। সেই সিদ্ধান্তই আমার পরবর্তী জীবনের ভিত্তি তৈরি করে দেয়।
ঠাকুরগাঁও পৌরসভা
৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ নির্বাচিত
২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ দায়িত্ব গ্রহণ
২০২১ পর্যন্ত মেয়র
প্রাপ্ত ভোট ১৯,১৮৪ (নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১২,৭৪৪)
মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন
২০১৫ সালের পৌরসভা নির্বাচনে আমি বিএনপির মেয়র প্রার্থী হই; ৩ ডিসেম্বর মেয়র পদে মনোনয়নপত্র জমা দিই, তখন আমি জেলা বিএনপির সহসভাপতি। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনে আমি ঠাকুরগাঁও পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হই। অনিয়মের অভিযোগে স্থগিত তিনটি কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের পর ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফলে আমি পাই ১৯,১৮৪ ভোট; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী পান ১২,৭৪৪ ভোট। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ পৌরসভার হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কাউন্সিলরদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করি; সেই অনুষ্ঠানে পৌরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে পৌরসভার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করার কথা বলেছিলাম। ২০২১ সালে মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করার সময় আমার প্রধান মনোযোগ ছিল শহরের নাগরিক কাঠামো উন্নয়ন ও জনসেবা সম্প্রসারণে। পৌর অবকাঠামো, স্যানিটেশন পরিকল্পনা ও নগর উন্নয়নে এই সময়টুকু আমার জন্য ছিল সরাসরি মানুষের সমস্যা বোঝা ও সমাধান করার এক বাস্তব শিক্ষা।
- মেয়র থাকাকালে ২০১৯ সালের এপ্রিলে স্বর্ণকার পট্টি থেকে মির্জা পাম্প পর্যন্ত প্রায় ১.৭৫ কিলোমিটার সড়কের পুনর্নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়। (সূত্র: দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, ইউএনবি)
- ঠাকুরগাঁও পৌরসভার স্যানিটেশন পরিকল্পনা-সংক্রান্ত এসএফডি লাইট প্রতিবেদনে তথ্য, জরিপ ও ফোকাস-গ্রুপ কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য সাবেক মেয়র হিসেবে আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে। (সূত্র: এসএফডি লাইট রিপোর্ট — ঠাকুরগাঁও পৌরসভা)
দলীয় দায়িত্ব
রাজনীতিতে ফেরার পর তিন দশকের বেশি সময় ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে দলকে সংগঠিত করার কাজে যুক্ত থেকেছি। ৬ আগস্ট ২০১৬, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির তৎকালীন সহসভাপতি থাকা অবস্থায়, আমি বিএনপির ৫০২ সদস্যের জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হই। ২৪ মে ২০১৭ জেলা সম্মেলনে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘ আট বছর এই দায়িত্ব পালন করি। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ অনুষ্ঠিত জেলা সম্মেলনে তৃণমূলের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হই; একই সম্মেলনে পয়গাম আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন — এই দীর্ঘ পথচলায় তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।
ক্রীড়া প্রশাসনে ভূমিকা
আমি জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচিত সদস্য ও কাউন্সিলর। ২০২৬ সালের বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে রংপুর বিভাগের একমাত্র পরিচালক পদে (ক্যাটাগরি-১) আমি একমাত্র প্রার্থী ছিলাম; ২৫ মে ২০২৬ প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় শেষ হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক নির্বাচিত হই। পরবর্তীতে ৯ জুন ২০২৬ বোর্ডের প্রথম সভায় বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান হই। ক্রীড়াঙ্গনের সাথে এই সম্পৃক্ততা তরুণদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করার আমার দীর্ঘদিনের আগ্রহেরই একটি প্রতিফলন।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম
সংস্কৃতি ও ক্রীড়া চর্চাকে আমি সবসময় সমাজ গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ মনে করি। আমি নিশ্চিন্তপুর থিয়েটার (গ্রাম থিয়েটার) ও অ্যাপোলো ইলেভেন ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা। ২০২৫ সালের ২২ জুন গঠিত কমিটি থেকে ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতির সহসভাপতি এবং ঠাকুরগাঁও টাউন ক্লাবের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবায় একাধিক আই ক্যাম্প আয়োজন, বিভিন্ন সময়ে ফুটবল, ক্রিকেট ও ভলিবল টুর্নামেন্ট আয়োজন, স্কুলের ছাত্রদের জন্য সায়েন্স কার্নিভাল আয়োজন এবং রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউট ও রোভার সংগঠন পরিচালনা ও গড়ে তোলায় সক্রিয় সহযোগিতা করে এসেছি।
এতিমখানা এবং দুস্থ, অসহায় ও হতদরিদ্র নারীদের কর্মসংস্থানের জন্য নিজ সম্পত্তি বাসমা ট্রাস্টের নিকট হস্তান্তর করেছি।
অনেক মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা নির্মাণে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নিয়েছি — এই উদ্যোগ আমার কাছে কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং একান্ত ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতার জায়গা।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায়
৫ আগস্ট ২০২৪ সরকার পতনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আমি ঠাকুরগাঁও জেলাজুড়ে অরাজকতা রোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি। অফিস-সরবরাহিত তথ্য অনুযায়ী, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের (হিন্দু সম্প্রদায়) ঘরবাড়ি ও উপাসনালয় আক্রমণ থেকে রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া, দীর্ঘ সময় ধরে প্রতি রাতে ব্যক্তিগতভাবে পাহারা দেওয়া ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং লুট হওয়া সম্পত্তি উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছি। এই সময়টুকু আমাকে আরও স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে যে, সংকটের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই প্রকৃত রাজনীতি।
যে দায়িত্বগুলো পালন করেছি
দলীয়, নির্বাচিত এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের দায়িত্বের নথিভুক্ত তালিকা।
সভাপতি
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ থেকে
সদস্য
জাতীয় নির্বাহী কমিটি, বিএনপি
২০১৬ থেকে
পরিচালক
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
২০২৬ থেকে
ভাইস চেয়ারম্যান
ডিসিপ্লিনারি কমিটি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড
জুন ২০২৬ থেকে
সহসভাপতি
ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতি
জুন ২০২৫ থেকে
সহসভাপতি
ঠাকুরগাঁও টাউন ক্লাব
সাধারণ সম্পাদক
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি
২০১৭ – সেপ্টেম্বর ২০২৫
মেয়র
ঠাকুরগাঁও পৌরসভা
২০১৬–২০২১
সহসভাপতি
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি
২০১৭-এর আগে
জনসেবার দর্শন
-
তৃণমূলের অভিভাবকত্ব
তাঁর বড় ভাই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপকভাবে ব্যস্ত থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর প্রধান কান্ডারি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। দলের ভেতরের ঐক্য অটুট রাখতে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য।
-
প্রচারবিমুখ সমাজসেবক
আত্মপ্রচারের পথে না গিয়ে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল কর্মীদের বিপদে-আপদে, রাজনৈতিক মামলা-হামলার আইনি লড়াইয়ে এবং ব্যক্তিগত সংকটে তিনি সবসময় ছায়ার মতো পাশে দাঁড়ান।
সূত্র: কার্যালয় থেকে সরবরাহকৃত প্রোফাইল
নথিভুক্ত কাজ থেকে

জলবায়ু-সহনশীল কর্মপরিকল্পনা কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি
২০২৫ সালের আগস্টে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা হলে অনুষ্ঠিত জলবায়ু-সহনশীল কর্মপরিকল্পনা-বিষয়ক কর্মশালায় তিনি সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

স্বর্ণকার পট্টি থেকে মির্জা পাম্প পর্যন্ত সড়ক পুনর্নির্মাণকাজের উদ্বোধন
মেয়র থাকাকালে ২০১৯ সালের এপ্রিলে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার স্বর্ণকার পট্টি থেকে মির্জা পাম্প পর্যন্ত প্রায় ১.৭৫ কিলোমিটার সড়কের পুনর্নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়।

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম বাছাইয়ের জুরিবোর্ডের সভায় যোগদান
২০২৬ সালের ৯ জুন তিনি ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোগ্রাম নির্বাচনের জুরিবোর্ডের সভায় অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
এই পাতায় উদ্ধৃত সূত্র (২২টি)
- ঢাকা ট্রিবিউন — মির্জা ফখরুল: ছাত্ররাজনীতি থেকে বঙ্গভবন, ২০ আগস্ট ২০২৬
- যুগান্তর — ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সম্মেলন, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
- বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর — ঠাকুরগাঁও পৌরসভার নবনির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের দায়িত্ব গ্রহণ, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬
- বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম — বিএনপির ৫০২ সদস্যের জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা, ৬ আগস্ট ২০১৬
- প্রথম আলো — মির্জা ফখরুলকে মহাসচিব করায় ঠাকুরগাঁও বিএনপির আনন্দ মিছিল, ৩১ মার্চ ২০১৬
- প্রথম আলো — ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সম্মেলনে নতুন কমিটি ঘোষণা, ২৪ মে ২০১৭
- প্রথম আলো — মেয়াদ শেষের আগে ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় নির্বাচনী আমেজ, ২৬ নভেম্বর ২০২০
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড — বিসিবি পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন ২০২৬: চূড়ান্ত ফলাফল, ৮ জুন ২০২৬
- রাষ্ট্রপতির কার্যালয় (বঙ্গভবন) — রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দাপ্তরিক জীবনবৃত্তান্ত, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- সমকাল — ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে মির্জা ফয়সল আমীন জয়ী — স্থগিত তিন কেন্দ্রে পুনঃভোটের পর চূড়ান্ত ফল, ১২ জানুয়ারি ২০১৬
- কার্যালয় থেকে সরবরাহকৃত প্রোফাইল — মির্জা ফয়সল আমীনের কার্যালয় থেকে সরবরাহকৃত প্রোফাইল, সেপ্টেম্বর ২০২৬ (সরবরাহকৃত নথি — অনলাইন সংস্করণ নেই)
- বাসস — ঠাকুরগাঁও-১ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
- জাগো নিউজ — মির্জা পরিবার ও ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, ১২ জানুয়ারি ২০১৬
- ভূমি মন্ত্রণালয় — ভূমি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীগণ ও তাঁদের কার্যকাল
- কৃষি মন্ত্রণালয় — কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রাক্তন মন্ত্রীগণ ও তাঁদের কার্যকাল
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড — বিসিবির স্ট্যান্ডিং কমিটি: ডিসিপ্লিনারি কমিটি
- বাসস — ঠাকুরগাঁও নাট্য সমিতির নতুন কমিটি গঠিত, ২২ জুন ২০২৫
- প্রথম আলো — ঠাকুরগাঁও পৌরসভায় বিএনপির মেয়র পদে মনোনয়নপত্র দাখিল, ৫ ডিসেম্বর ২০১৫
- দ্য ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস (ইউএনবি) — স্বর্ণকার পট্টি–মির্জা পাম্প সড়ক পুনর্নির্মাণকাজের উদ্বোধন, ঠাকুরগাঁও, ৯ এপ্রিল ২০১৯
- বাসস — ঠাকুরগাঁও পৌরসভা হলে জলবায়ু-সহনশীল কর্মপরিকল্পনা কর্মশালা, ২৮ আগস্ট ২০২৫
- সমকাল — বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিসিবির আট পরিচালক নির্বাচিত, ২৫ মে ২০২৬
- এসএফডি লাইট রিপোর্ট — ঠাকুরগাঁও পৌরসভা — এসএফডি লাইট রিপোর্ট, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, বাংলাদেশ (সিডব্লিউআইএস-এফএসএম সাপোর্ট সেল, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর), ১০ জানুয়ারি ২০২২
"মানুষের কাছ থেকে শুনতে চাই, মানুষের জন্য কাজ করতে চাই।"